Showing posts with label টিপস. Show all posts
Showing posts with label টিপস. Show all posts

কীবোর্ড কাজ করছে না ,এখন উপায় কি ?


ধরুন আপনি কোন ডকুমেন্ট লিখছেন আর মাত্র দুই লাইন বাকি এসময় আপনার কীবোর্ড কাজ করছেনা । কিন্তু লেখাটা তখনই শেষ করতে হবে । তবে উপায় ? উপায় হল উইন্ডোজের অন স্ক্রীন কীবোর্ড । অন স্ক্রীন কীবোর্ড চালু করার জন্য উইন্ডোজের start মেনুতে গিয়ে all program > Accessories > Accessibility > on screen keyboard এ ক্লীক করুন । এবার মনিটরে একটি ভার্চুয়াল কী বোর্ড হাজির হবে । যা লিখতে চান মাউসের সাহায্যে ওই কীবোর্ডের বাটনগুলোতে ক্লিক করে লেখার কাজ করতে পারবেন ।

মাউস কাজ করছে না । এখন উপায় কি ?


মনে করুন আপনি কম্পিউটারে বসে কাজ করছেন । হঠাৎ দেখা গেল যে আপনার মাউস আর কাজ করছে না কিন্তু এখনই আপনাকে কাজটি শেষ করতে হবে । তাহলে এখন কি উপায়  ? হ্যা আপনার জন্য একটা উত্তম উপায় হল উইন্ডোজের সেটিংস পরিবর্তন করা । হ্যা  আমারা কার্সর এর মুভমেন্ট চেঞ্জ করে কাজ করতে পারি । এজন্য কিবোর্ড থেকে এক সঙ্গে left alt + left shift এবং num lock কি চাপুন । মনিটরে একটি পপ আপ উইন্ডো আসবে । ok করুন । তারপর num button সক্রিয় করুন । এখন ডান পাশের ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ বাটনগুলো দিয়ে মাউসের কার্সর মুভ করানো যাবে । আর ৫ বাটন দিয়ে মাউসের লেফট ক্লিক এবং + বাটন দিয়ে মাউসের ডাবল ক্লিকের কাজ  করা যাবে । আর ডানপাশের Ctrl বাটনের বামের বাটনটি মাউসের রাইট ক্লিক বাটন হিসেবে কাজ করবে । কাজ শেষে num lock অফ করলে মাউস কি সুবিধাটি ডিজ্যাবল হয়ে যাবে ।

কম্পিউটারের ১০০ টি দরকারী উইন্ডোজ শটর্কাট !


যারা কমবেশী কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের জন্য বারবার মাউস ব্যবহার করা ঝামেলার মনে হতে পারে। নবীন ব্যবহারকারীর জন্য মাউস যদিও স্বস্তিদায়ক কিন্তু যারা দক্ষ ব্যবহারকারী তারা সহজেই কি বোড এ বিভিন্ন শটর্কাট কমান্ড প্রয়োগ করে অতি দ্রুত কম্পিউটারের কাজ গুলো সম্পন্ন করেন । আসুন জেনে নেয়া যাক এমনই কিছু দরকারি উইন্ন্ডোজ শটর্কাট পদ্বতি।
CTRL+C (Copy)

CTRL+X (Cut)

CTRL+V (Paste)

CTRL+Z (Undo)

ইউটিউবের কিছু টিপস


ভিডিও আপলোড এবং শেয়ারিং এর জন্য ইউটিউব বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। কিন্তু এই সাইট থেকে সরাসরি ডাউনলোড করার কোন সুবিধা নেই। অবশ্য আইডিএম কিংবা রিয়েল প্লেয়ার প্লাস ১০ এর উপরের ভার্সনগুলো দিয়ে সহজে ডাউনলোড করা যায়।

যেমন : http://www.youtube.com/watch?v=9kCinKpY2MM এই ভিডিওটি যদি ডাউনলোড করতে চান তবে ভিডিও এর উপর রাইট ক্লিক করে Download FLV Video with IDM > Download Last requested FLV video ক্লিক করে সহজে ভিডিও টির FLV ফরমেট ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
 কিন্তু সমস্যা হয় অন্যসময়। ধরুন আপনি আপনার বন্ধুর বাসায় যদি ইউটিউব ব্যবহার করেন আর যদি তার পিসিতে IDM / Real Player 11 না থাকে তখন। সেইসময় কি করবেন তা নিচের কোন একটা পথ বেছে নিতে পারেন.....

গুগল অ্যাপসের ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করা


যারা ইমেইল ব্যবহার করেন তা নিশ্চয় জানেন ইমেইল ঠিকানা (ইউজার নেম) পরিবর্তন করা যায় না। সমপ্রতি গুগল তাদের অ্যাপস্‌ ব্যবহারকারীদেরকে ইমেইল ঠিকানা (ইউজার নেম) পরিবর্তন করা সুবিধা দিয়েছে। খুব সহজেই গুগল অ্যাপসের নিয়ন্ত্রক তার ব্যবহারকারীর ইমেইল ঠিকানা (ইউজার নেম) পরিবর্তন করতে পারবে।
ধাপ১) এজন্য গুগল অ্যাপসে লগইন করে Organization & users এ ক্লিক করুন।
ধাপ২) এবার যে ইমেইলটির ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান সেটির উপরে ক্লিক করে Rename user এ ক্লিক করুন তাহলে একটি উইন্ডো আসবে।

কিভাবে গুগল সার্স রেজাল্টে ফেজবুক লাইক বক্স যোগ করা যায়


কোন লিংক বা আর্টিকেল পছন্দ হলে আমরা সাধারণত ফেসবুকে লাইক করে থাকি। ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহারকারীরা গুগল সার্চের কোন ফলাফল পছন্দ হলে ফেসবুকে লাইক করতে পারবে। এজন্য http://crossrider.com/install/124-google-like থেকে এ্যাড-অন্স/প্লাগইনটি ইনস্টল করে ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করুন। এবার গুগলে সার্চ করে দেখুন ফলাফলের ডানে ফেসবুক লাইক বাটন দেখা যাচ্ছে এবং কত লাইক করা হয়েছে তার সংখ্যারও আছে। ফেসবুকে লগইন করা থাকলে ইতিপূর্বে লাইক করা ব্যাক্তিদের ছবিও দেখা যাবে।

Big GiF to Small Gif Resizer


আমাদের অনেক  অনেক সময় এ্যানিমেটেড জিফ ছবির আয়তন ছোট বা বড় করার প্রয়োজন পরে। ছোট্ট একটি সফটওয়্যার দ্বারা এই কাজটি করা যায়। মাত্র ৫২৪ (৬২৭) কিলোবাইটের একটি ফ্রিওয়্যার, পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি  এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Source GIF Image file থেকে এ্যনিমেটেড ছবিটি আনুন এবং কোথায় সেভ করবেন তা New GIF Image file এ নির্বাচন করুন। এবার Width এবং Height ঠিক করে Resize বাটনে ক্লিক করলেই নতুন সাইজে ছবিটি তৈরী হবে।

এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।

রান কমান্ডের যত ব্যবহার


কোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে রানে (Start+R চেপে) গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখে ওকে করলেই সেই প্রোগাম চালু হয়। যদিও বেশিরভাগ প্রোগ্রামই সরাসরি চালু করা যায়। নিচে দরকারি বেশ কিছু রান কামন্ডের (উইন্ডোজ এক্সপি) সংক্ষিপ্ত সংকেত দেওয়া হলো।

একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl
একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz
এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl
এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl

Best Online PDF File Converter free


বর্তমানে পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরমেট) বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফন্ট ঝামেলা এবং ডকুমেন্টের ফরমেট অক্ষুন্ন রাখতে পিডিএফ এর প্রয়োজন হয় বেশী। কিন্তু পিডিএফ তৈরীর সফটওয়্যার আপনার কাছে না থাকেলেও অনলাইনে সরাসরি পিডিএফ তৈরী করা যায়। এতে মাইক্রোসফট অফিস, ইমেজ, ওয়েব পেজ, হেল্প ফাইল, ভিজিএফ ফাইলকে পিডিএফ তৈরী করা এবং পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট অফিসে রুপান্তর করা যায়। এজন্য

অভ্র পোর্টেবল ইউনিকোড লেখার কীবোর্ড


বর্তমানে বাংলায় ওয়েবসাইট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ওয়েবসাইট দেখার জন্য ইউনিকোড ভিত্তিক ফন্টের এবং তৈরী করার (ইউনিকোড লেখার) জন্য কীবোর্ডের প্রয়োজন হয়। ২০০৩ সালে উইন্ডোজে বাংলা লেখার প্রথম কীবোর্ড অভ্র আনলেও দীর্ঘ চার বছর পরে অভ্রই প্রথম পোর্টেবল সফটওয়্যার আনলো। অভ্র স্টান্ডার্ড কীবোর্ড ব্যবহার করতে হলে কম্পিউটারে ইনষ্টল করতে হয়, ফলে নিজের কম্পিউটার ছাড়া অন্য কোথাও যেখানে সফটওয়্যার ইনষ্টল করার সুবিধা নেই সেখানে অভ্র স্টান্ডার্ড কীবোর্ড ব্যবহার করা যেতো না কিন্তু অভ্র পোর্টেবল কীবোর্ড সেসব ঝামেলা থেকে মুক্ত। অভ্র পোর্টেবল সফটওয়্যারের সুবিধা হচ্ছে এটা ইনষ্টল করার প্রয়োজন হয়না। সিডি বা যে কোন রিমুভেবল ডিক্স থেকেই সরারসরি সফটওয়্যারটি চালানো যাবে। ফলে লিমিটেড ইউজাররাও (সাইবার ক্যাফে, অফিসে বা অন্য কোথাও যেখানে সফটওয়্যার ইনষ্টল করার সুবিধা নেই) ঝামেলা ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে, এছাড়া সফটওয়্যার বন্ধ করার পরেও কম্পিউটারে কোন রেজিস্ট্রি পরিবর্তন হয় না। অভ্র পোর্টেবল সফটওয়্যারটি চালু করলে ভার্চুয়াল বাংলা ফন্ট ইনস্টলারের মাধ্যমে সিয়াম রুপালী নামে একটি ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ফন্ট আসবে এবং অনায়াসে ইউনিকোডে বাংলা লেখা ও দেখা যাবে। অভ্র সফটওয়্যারটি ফ্রি ডাউনলোড করতে

সিস্টেম রিষ্টোরঃ মুছে যাওয়ায় শেষ কথা নয়


অসাবধানবসত কোন ফাইল মুছে ফেলেছেন বা অপ্রয়োজনীয় ফাইলটি মুছে ফেলার পরে ফাইলটি পাওয়া জরুরী, এমতবস্থায় আপনার ফাইলটি উদ্ধার করতে পারবেন সিস্টেম রিষ্টোর করার মাধ্যমে। এজন্য Start Menu/Programs/Accessories/System Tools/System Restore থেকে সিলেক্ট করুন এবং সিস্টেম রিষ্টোর উইন্ডো আসবে এখানে Restore my computer to an earlier time অপসন বাটন সিলেক্ট করে Next বাটনে কিক করুন। এরপরের উইন্ডোতে রিষ্টোর ক্যালেন্ডার আসবে যেখানে রিষ্টোর পয়েন্টগুলো বোল্ড অবস্থায় থাকে। এখানে রিষ্টোর পয়েন্ট সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন তাহলে সিস্টেম রিষ্টোর হয়ে কম্পিউটার রিষ্টার্ট হবে। যে তারিখের পয়েন্টে সিস্টেম রিষ্টোর করবেন সে তারিখের পরে মুছে যাওয়া সকল ফাইল এবং আনইনষ্টল করা ফাইলগুলো ফিরে আসবে তবে তার পরে ইনষ্টল করা ফাইলগুলো পূর্বের অবস্থায় থাকবে। এজন্য সিস্টেম রিষ্টোরকে টার্নঅফ করা উচিৎ নয়। সিস্টেম রিষ্টোর টার্নঅফ করা থাকলে আপনি সিস্টেম রিষ্টোর করার সুবিধা পাবেন না। সিস্টেম রিষ্টোর টার্নঅফ করা আছে কিনা দেখার জন্য কন্টোল প্যানেল থেকে সিস্টেম কন্টোলটি ওপেন করলে সিস্টেম প্রোপার্টিস আসবে এখানে সিস্টেম রিষ্টোর ট্যাবে ক্লিক করলে দেখতে পাবেন সিস্টেম রিষ্টোর টার্নঅফ করা আছে কি না। সিস্টেম রিষ্টোর টার্নঅফ করা থাকলে টিক টিহ্ন উঠিয়ে দিলেই হবে।

নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার খোলা


আপনার কম্পিউটারে একাধিক ব্যবহারকারী থাকতে পারে যার আলাদা পাসওয়ার্ডও থাকতে পারে। তবে আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী সয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ঢুকতে পারবে। এজন্য রানে (StartRun) গিয়ে লিখুন CONTROL USERPASSWORDS2। এবার এখানে কোন ব্যবহারকারী সয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ঢুকতে পারবে তা নির্বাচন করে Users must enter a Username and password to use the computer বক্স থেকে চিক চিহ্ন তুলে দিন। Apply বাটনে ক্লিক করুন। এবার Automatically logged on ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে ঐ ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড দিন এবং OK করুন। এবার User account এ OK করুন। এবার কম্পিউটার পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করে দেখুন নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার খুলে গেছে।
আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হলে Users must enter a Username and password to use the computer বক্সে চিক চিহ্ন দিলেই হবে।

আপনার নামের ই-মেইল ঠিকানা তৈরী করা


আমরা সাধারণত বিনামূল্যে মেইল সেবা পেতে ইহাহু, জিমেইল বা হটমেইল ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকি। এসব ইমেইল ঠিকানার শেষে উক্ত ডোমেইন যুক্ত থাকে। যেমন আপনার ই-মেইল ঠিকানা akmborhanice[at]gmail.com  হতে পারে। কিন্তু আপনি চাচ্ছেন জিমেইল বা ইহাহু নয় আপনার নিজস্ব ডোমেইনেই আপনার ই-মেইল ঠিকানা ˆতরী করতে। বিনা খরচেই আপনি তা করতে পারেন। এ জন্য আপনার একটি জিমেইল (একাউন্ট) ই-মেইল এবং www.dot.tk তে ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন থাকতে হবে। ধরে নিচ্ছি আপনার উভয় যায়গাতে একাউন্ট আছে। কারণ জিমেইল একাউন্ট এখন খুব সহজেই পাওয়া যায়। আপনি যদি www.dot.tk তে akmborhanice নামে রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন তাহলে আপনার (শর্টকাট) ওয়েব সাইটের ঠিকানা www.akmborhanice.tk এবং এক্ষেত্রে আপনার ইমেইল ঠিকানা হতে পারে info[at]akmborhanice.tk বা yourname[at]akmborhanicem.tk। এভাবে আপনি প্রতিটি ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশনের জন্য সর্বাধিক ৫টি ই-মেইল ঠিকানা খুলতে পারেন।

 

Blog Archive